দাহ
সে থাকে দূরে নামহীন কোন শহরে
মাঝে মাঝে মনে পড়ে
প্রেম থেকে নাসিকা – কুঞ্চন
ক্লান্তি আর ঘামে
আনত রাত্রি আমার দিকে
রাখিয়া যায় দীর্ঘ— পা
রাতের কাছে
এ দাবি তো করিনি কখনো
তুমি আমার—
পাখিদের মুছে যাওয়া উড়াল
চিত্রকরের অতীত অরণ্যে
আমি এক চিত্রকরকে খুন করে এসেছি
ছিটকে পড়া রঙের পরিভাষা বুঝবো বলে
আমি কখনো রঙ আর রক্তের পার্থক্য বুঝতে চাইনি
পার্থক্য শুধু বুঝেছি শিরদাঁড়ার
দৃশ্যের পর দৃশ্য আমাকে করেছিল অস্বীকার
আমি যখন দৌড়াতে দৌড়াতে একটি গমক্ষেতের মধ্যে আসলাম
তখন একটা ক্যানভাসে দেখলাম
সেই গমক্ষেতরই ছবি আঁকা
বুঝতে চেয়ে যখন আমি চোখ সরিয়ে নিলাম
তখন অসংখ্য শাদা কবুতর উড়ে গেল সুবাস গেঁথে
আমার ভেতরে বিশদ হৃদয় কী তারই!
অশ্রুনির্বাণ
রৌদ্র অঞ্চল ধরে একটি চিল নেমে এলো
ফুলগুলো হলুদ রঙের
এপ্রিল মাসের দিকে এগিয়ে আসা
আঁকাবাঁকানো শিয়ালকাঁটা
উদ্বেগশূন্য নয়—
তমসায় পাতার আড়াল
চামচিকার চোখ করুণতম
উপগত মউমাছিদের সফর শেষে
তোমার মতো বিষণ্ণ— আমিও একিলিস
বিদায় পথে
রবিশস্যের ক্ষেত জুড়ে
না— ডুব সূর্য, অবিবর্তিত।
আপনার পরিচয় দিন
প্রতিটা মানুষ দূরত্ব চায়
একের ভেতর এক
দূরচিহ্নিত পথগুলো বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে আমায়
যেন অনুভব— কতদূর এলাম!
দুই কাঁইক হাঁটার পৃথিবী হীনমন্যতার
ব্যাবধানগত— তোমাদের ইতিহাস
পাতা নড়ে, সেটাও তো নিস্পৃহ হয়
সকল বেদনা সমান নয়
জেনে, ফুলের আয়ুর সঙ্গে প্রকরণ ছড়িয়ে দেয় ফুল
এ যেন এক প্রার্থনার কিতাববন্দি মস্তক
বিএডিসি ভবনের মূল প্রবেশপথে লেখা—
আপনার পরিচয় দিন।
স্বপ্নের চিতা
একটা ছায়া আমাদের তাড়া করে
ডানা মেলে রঙিন পাখির স্বপ্ন দেখায়
অমাবশ্যার গল্প বলে খুব
অসহায় হয়ে পড়ে
অদেখা এক প্রজাপতির মরণ মরে
উড়বার রূপকথার ভেতরে














































