বিস্রস্ত বেয়নেটকাল
ঠোঙার গাঙুড়ে বাজে মানুষিক প্রিজমাজম
ত্রস্তে ত্যক্তে নগ্ন কাটাকুটি শরীর খেঁকুড়ে
অর্ধদাগ শুয়ে আছে পিকাসোর বারদুয়ার
নাফ নদী যথেষ্ট হয়ে অতি রিক্তের দোলকিনারায়।
ছিঁড়ে যাবে ইতি অনুভব।
বাঙালিনীর চাদর ছিঁড়ে তাঁবু
বেদুইনের তূর্য অট্টহাস ভেপসে আসে নাভি
ছিঁড়ে লালে লাল ফুল জরায়ুজ
পূর্বাচলের ঢল জুড়ে সাজে চোরাবালি পায়ে টান মেরে খাবে এযাবৎ অজাচার, বিশদে বোধি-ইতিহাস।
বাংলানদীর আসভ্যকালের ভুল দুটি চোখের সটান
কপোতপাখির ডোল।
এটুকুই,হৃদয়ের চারকিনার।
পালকে মোড়া প্রলয়ের ঘাম চেটে ঈষৎ পাশ কেটে শোয় দেশ,
নালা নালা দিয়ে বয়ে যায় ঘিলু পরবাসী নিকট সন্তানেরা।
মরণের পিক্সেল ঘন হয়ে আসে…
ওই।
Lullaby
বিষ বিষাদ হল চারপাই
ঘুণ কেড়ে খাবে ঘুম তার দাঁড়ে
বলে অজাত বিলেতদেশে
এলিয়ে এলো এলাচ, কুসুম, ঠোঁটের দেয়ালে লালা।
বোধন এভাগে, প্রাচী ন হন্যতেরা
নিশ্চুপ দেখে প্রাগজ্যোতিষে ফড়িঙের কাঁপে আলো
নিভে গেল দপ; যেই লাল গড়ালো মাটি
অকস্মাৎ বেহুলা জন্মান্তরে আংরেজি নদী নিল ঘাড়ে।
নদী, প্রকৃতই বেগবান, মৃত্যুপূর্বী সমস্ত ফেননিভে।
আকাশের বুক থেকে যেসব উৎকণ্ঠ মানুষ গাঙচিল মেখে খায়
স্বরে যেতে শেখেনি যে মানুষ, চোখের ভিতরে স্পষ্ট দেখতে পেলে সে ঈষৎ জেবড়ে যাবেই…
অপরের তুলো ফেড়ে আশ বের করে এনে সে লাগাবে নিজস্ব পরী ধানে… তাতে দহন জাগালে সাবেকী ঈর্ষায় প্রবল ওঠে ভাতগন্ধ… ছেঁড়াবাঈ বঙ্গ ভুলে যায় তার মন্বন্তরের নিত্য বদভ্যাস।
মা হবে সাঁওতালী মেয়ে… গোড়ালির কাঁকর ছুঁয়ে তার আলতা গড়িয়ে আসে।
এসব চারদিন… বারণপোড়া খরসন্ধ্যেয় অস্বস্তির পোকারা বহিরাগত শ্যামা হয়ে যায় মাদলমদির দ্রিমদ্রিমিকি ঘিরে…
এ জীবনে সহজ ভাষার মতো হারা হল না কিছুই…
যত দিন যায় ছিদ্রাণু দুর্গশরীর ঘিরে ভিজে ওঠে ডাকের খোয়াব…
জোনাকির পথ্যে বাঁচে শুধু কিংখাবের পরস্ব কর্তব্যেরা,
বিমলারা ফিকে হয়ে আসে সন্ধ্যাটুডুর জনাব।















































































