প্রণয়পাত
জীবন জানে— বেঁচে আছি এক বিপন্ন সংযমে
প্রণয় জানে— কী সুখে আছি মৃত্যুর সংগমে
নিশিচুর
সাঁঝের ডানায় মুছে যায় দিগন্ত
ভেসে আসে আহত সুর
বলে— শব্দের প্রাচীর পেরিয়ে যেতে
আমি পারি না যেতে
সকল ইন্দ্রিয় ভেঙে
পারি না ছুঁতে আরাধ্যকে
স’রে যাই স্বপ্ন থেকে
যেখানে সুর ঘুমিয়ে থাকে
নিহত শব্দের সাথে
তুমি আসো প্রদগ্ধ রাতে
কুয়াশার আদিম স্রোতে
জোছনার চোরাবালিতে
প্রণয়িনী
মৃত্যুই আমার প্রণয়িনী
সবাই চ’লে গেলেও
সে আমায় ছেড়ে যায়নি
ঈশ্বর ও শয়তান
ঈশ্বর ও শয়তানের মাঝেই মানুষের বাস
যতোটুকু তোমায় স্পর্শ করি
ততোটুকু আমি ঈশ্বর
যতোটুকু তোমায় স্পর্শ করি না
ততোটুকু আমি শয়তান
নারী— এবার বলো
তুমি কাকে গ্রহণ করবে
ক্ষুধা
ক্ষুধার সময় ভাতের কথা যতোটা মনে পড়ে
তার চেয়ে অধিক মনে পড়ে তোমার কথা
ভাতের ক্ষুধা তবু নিবারিত হয়
তোমার ক্ষুধা নিবারণ হওয়ার নয়
আমায় তোমার হাতে খাওয়াবে ব’লে
রান্না করো প্রণয়ের দুর্ভিক্ষ
হিংস্র ক্ষুধা নিয়ে মুখ বাড়াই
রূপবতী মৃত্যু আসে
তবু তুমি আসো না
বেদনাবাদক
বীণার তারে বিদীর্ণ জীবন
সুর— তবু তুমি এলে না
খুনি
আমি কবি হ’তে গিয়ে
সুরকে খুন করেছি
তোমায় খুশি করতে গিয়ে
ফুলকে খুন করেছি
শব্দের সাথে সংগম করতে গিয়ে
সংসারকে খুন করেছি
খুনি হওয়ার জন্যে
এসব কি যথেষ্ট নয়























































































