১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
Didimar golpo amra mone rakhini-Prose by Mahmudur Rahman-Meghchil
অলংকরণ :
বিজন অরণ্য
মাহমুদুর রহমান
কথাসাহিত্যিক
97

মাহমুদুর রহমান
কথাসাহিত্যিক

97

দিদিমার গল্প আমরা মনে রাখিনি

সাহিত্যের কোন ধারায় লেখা সবচেয়ে কঠিন? আমার মনে হয়, কবিতা। কারণটা ব্যক্তিগত। কাব্যের মোলায়েম রসটা আমার আসে না। অবশ্য প্রশ্ন উঠতে পারে, কাব্য বলতেই মোলায়েম কিনা। অবশ্যই না। কিন্তু দ্রোহের কবিতায়ও একটা রস থাকে। সোজা কথা কাব্যই আমার আসে না। তাহলে আসে কী? গদ্য। তাও কিছুটা। কেননা অনেক সময়ই অনেক রকম গদ্য পড়তে গিয়ে মনে হয়, আহারে কী সুন্দরই না তার গদ্য। তবে লোকমুখে শুনি আমার গদ্যও নেহায়েত খারাপ না। বরং আরো শুনি, আমার গদ্যেই নাকি খানিক কাব্য আছে। সে থাকতে পারে। ইচ্ছা করে করি না, আপনা থেকে আসে। অর্থাৎ, সহজাত। তাই অনেক কিছুই লিখি কিন্তু কয়েক বছর ধরে মনে হয় গল্প বলা সবচেয়ে কঠিন।

গল্প থাকে আমাদের চারপাশে—একথা আমিই বলি। কিন্তু সেই গল্প, গদ্যে তুলে আনা একটা কঠিন কাজ। সবার পক্ষে সেটা সম্ভব হয় না। এককালে লিখতাম, গল্প লেখার ইচ্ছা ছিল। দেখা যেত শুরু করার আগেই শেষ হয়ে যায়। যা আমার বলার, তা কয়েক প্যারাতেই শেষ। কিন্তু আদিকাল থেকে যেভাবে গল্প লেখা হচ্ছে সেই অনুসারে আমার লেখায় আরো কিছু কথা দরকার। সেই কথা লিখতে মন চাইত না। ভাবতাম, ও হেনরি, বনফুলরা তো কত অল্প কথায় লিখেছেন গল্প। তো দোষটা কী?

দোষ না হোক, সমস্য আছে। সেটা হলো পাঠ ও প্রকাশে। পাঠের সমস্যাটা হলো যারা পড়ছেন তারা বলছেন, ‘কী যেন নেই।’ ‘নেই’টা বুঝতে সময় লেগেছিল খানিক। বর্ণনা নেই। গল্প শুরু হতে হতে এসে শেষ হয়ে যায়। পাঠক মূলত গল্প চান জারিয়ে নিতে। রসের ভিয়েনে ভাজতে। কিন্তু কিছু গল্প আমার মাথায় আসত তাতে মদির ভাষা থাকলেও রসের ভিয়েনে তোলা হতো না। বক্তব্য হতো প্রধান কিন্তু সেটাও ‘সাটল’। তাই অনেকেই বলেছেন, ‘এটা তো ছোটগল্প না।’

ছোটগল্প হলো কি হলো না সেই চিন্তা করি না। গল্প পড়তে পছন্দ করি। লিখতে না-ই পারলাম। কত গল্প আছে দুনিয়ায়। সেই যে রবীন্দ্রনাথের ‘ঘাটের কথা’ দিয়ে শুরু করেছিলাম এককালে তারপর এসে ঠেকেছিলাম কোনো এক কালে জুনো ডায়াজে। এর মধ্যে বনফুল এসে মুগ্ধ করেছেন, মান্টো এসে ধাক্কা দিয়েছেন, শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন এভাবেও গল্প বলা যায়। মোপাসাঁ আর হেনরিকে তো কুটুম বানিয়েছিলাম মনে মনে। মধ্যে আবার গল্প করতাম চেখভের সাথেও। এতোকিছুর পর গল্প নিয়ে বসলে নিজেকে বড় ফাঁকা মনে হতো। সব গল্প তো বলা হয়েই গেছে। মনে হতো এরকম।
দুদিন আগে ফাদার দ্যতিয়েনের ‘গদ্যসংগ্রহ’ নিয়ে বসেছিলাম। ‘ডায়েরির ছেঁড়াপাতা’র বত্রিশ নম্বর অধ্যায়ের শুরুটা ‘বাচ্চুর অভিযোগ’ দিয়ে। ফাদারকে বাচ্চু বলছে, ‘আপনার লেখা আর একটুও ভালো লাগছে না…। জানেন? আমার বাবা দেশ-এর গ্রাহক ছিলেন না, শুধু আপনার লেখা পড়বেন বলেই কিনতে শুরু করেছিলেন। আমি কিন্তু আর পড়ি না, আমার বোনটিও না—আপনি আজকাল যা সব বড় বড় কথা লিখছেন…। আমাদের জ্ঞান দিতে লেগেছেন বুঝি?’

কথাটুকু পড়ে, সমরেশ বসুর ভাষায়, আমি রীতিমতো ঠেক খাই। কেননা কিছুদিন ধরে একটু একটু করে ক্ষোভ কিংবা অভিমান পুঞ্জীভূত হয়েছে, লোকে লেখার প্রশংসা করলেও পড়ে কম। কারণটা অজানা না কিন্তু দ্যতিয়েনের কাছে বাচ্চুর এ অভিযোগ বিষয়টা আরো পরিস্কার করে দেয়। কেবল দ্যতিয়েন না, গদ্য বা বিশ্লেষণী লেখা যারাই লেখেন সবারই বোধ করি এ অভিজ্ঞতা কম বেশি আছে। এমন না যে তারা অজনপ্রিয়। কেননা বাচ্চুর কথাতেই প্রমাণ আছে তার বাবা কেবল ফাদারের লেখা পড়ার জন্যই দেশ কিনতেন। কিন্তু বাচ্চু আর পড়ে না ফাদারের লেখা।
দ্যতিয়েনের ডায়েরির শুরুর দিকের কয়েকটা লেখা বাচ্চাদের নিয়ে। তারা ফাদারের কাছ থেকে লজেন্স নেয়। ডাকটিকিট নেয়। ফাদার তাদের বাড়িতে খেতে যান। এই ঘরের কাছের কথা লোকে পড়তে চায়। এমনকি কোনো কোনো ব্যক্তির সম্পর্কে মজা করে লিখেছেন ফাদার, তারা আর ফাদারকে নিজের মুখ দেখান না (রাগে নয়, এক রকম শরমে)। কিন্তু এরপর দ্যতিয়েন ক্রমাগত লিখছিলেন সাহিত্য, ভাষা, ব্যাকরণ ইত্যাদি নিয়ে। বত্রিশের আগের অধ্যায়গুলোতে রীতিমতো ছিল হ্যালহেডের ব্যাকরণের কথা। দ্যতিয়েনের সেই লেখার গদ্য সরস কিন্তু সেখানে ‘গল্প’ ছিল না। এহেন ফাদারকে তাই বাচ্চু প্রশ্ন করেছিল, ‘দিদিমা আপনাদের গল্প বলত না, না?’

আরেকবার ঠেক লাগে এই প্রশ্ন শুনে।
কেননা আসলেও আমাদের গল্পের উৎস ছিলেন আমাদের দাদা-দাদী, নানা-নানী। তারপর মা। তারা বিচিত্র সব গল্প বলতেন আমাদের, ছোটবেলায়। সেইসব গল্প আমাদের মধ্যে ক্ষুধা তৈরি করত। আমরা খেতে বসে গল্প শুনতাম, গল্প শুনতে শুনতে ঘুমাতাম। মানুষ বরাবরই গল্পের কাঙাল। কেননা এক সময় দীর্ঘ সফরের বিরতিতে মানুষ বসে গল্প শুনতো একজন আরেকজনের কাছে। এখনো আমরা টঙে বসে ‘গল্প করি’। কিন্তু সবাই গল্প বলতে পারেন না।

আসলেও আমাদের গল্পের উৎস ছিলেন আমাদের দাদা-দাদী, নানা-নানী। তারপর মা। তারা বিচিত্র সব গল্প বলতেন আমাদের, ছোটবেলায়। সেইসব গল্প আমাদের মধ্যে ক্ষুধা তৈরি করত। আমরা খেতে বসে গল্প শুনতাম, গল্প শুনতে শুনতে ঘুমাতাম। মানুষ বরাবরই গল্পের কাঙাল

পৃথিবীর প্রচীন সাহিত্যগুলোর মূল ছিল গল্প। আসলে গল্প না, বলা যায় আখ্যান। কাহিনী থাকত সেখানে। মহাভারত, রামায়ণ, গিলগামেশ, ইলিয়াড, ওডেসি সবই মহাকাব্য। কিন্তু সেইসব কাব্যের মধ্যে আছে আখ্যান। কাহিনী। একটা নয়, কখনো শতশত। এরপর আরো গল্পের উৎস হিসেবে কাজ করেছে তা। মহাভারত থেকেই রবীন্দ্রনাথ মায় ঋতু ঘোষের চিত্রাঙ্গদা। মহাভারতকে ধরেই প্রকাশ ঝা নির্মাণ করেন ‘রাজনীতি’। একিলিসকে নিয়ে রচিত নাটক মঞ্চস্থ হয় ঢাকায়। বাদ পড়ে না কিন্তু শাহনামাও। সোহরাব রোস্তম তো গল্প হয়েই ধরা দেয়। সেই আখ্যান নিয়ে একালে তৈরি হয় ওয়েব সিরিজ।
মজার ব্যপার হলো আধুনিক সাহিত্যে আমরা সেইসব আখ্যানই ভেঙে নতুন করে উপস্থাপন করি। আবার কখনো ভেঙে না নিলেও ওটাকে নির্যাস ধরে মূল সুরটার ওপর নতুন আখ্যান তৈরি করি। গানের ক্ষেত্রে ব্যপারটা খুবই পরিচিত। পুরনো সুরের ওপর নতুন কথা ফেলে গান তৈরি হয়। গল্পও অনেকটা সে রকম। শাকচুন্নি, মামদো ভূত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ এমনকি খলিফাতুল মুসলিমিনের গল্পও আসে নতুন করে আবার। সবই কখনো না কখনো মুখে মুখে শোনা।

কিন্তু গল্প কখনো কখনো হারিয়ে যায়। বিশেষত গদ্য যারা চর্চা করেন তারা বিভিন্ন ধরনের লেখা লিখে অভ্যস্ত। কখনো লিখতে হয় বাধ্য হয়ে। আবার কখনো বয়ে যেতে হয়। নিজের উদাহরণই যদি দিই, ইচ্ছা ছিল গল্প লেখার। কিন্তু লিখতে শুরু করেছিলাম ইতিহাস নিয়ে। ইতিহাস লেখার ক্ষেত্রে গদ্য একটা নিজস্ব ভঙ্গি চায়। তাকে হতে হবে বিশ্লেষণী, খানিকটা কঠোর। ঘোড়ার লাগাম টানার মতো। সেই গদ্যে অভ্যস্ত হতে হতে দেখা যায় গল্পের গদ্য একটু বা অনেকটা অভিমান করেছে। তাই তাকে ভজানো দরকার। কিন্তু ভজানোর জন্য একালে মহম্মদ রফির গান গাইলেও খুব একটা লাভ হয় না। ফিচার লিখতে বসতে হয়। তার আবার ছোট বাক্য, সহজ কথা—পাঠকবান্ধব।

আখ্যানের আরেকটা বিষয় হলো তা দেখা, চাক্ষুষ করা। বলছিলাম গল্প আমাদের চারপাশে আছে। শরৎচন্দ্রকে সফল ছোটগল্পকার বলা যায় কিনা তা এক তর্ক কিন্তু ‘মহেশ’ যে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোটগল্প তা অনম্বীকার্য। শরৎ এ গল্প পেয়েছিলেন তার সমাজে। সমরেশ বসু তার আখ্যান খুঁজে পেতেন ভ্রমণ থেকে। রবীন্দ্রনাথ বহুদর্শী। চেখভ, মোপাসা, তলস্তয়ও তাই। আরো ফিরে গিয়ে নাম করা যায় চসার, বোকাসিওর। চসারের ক্যান্টারবেরি টেলসের দিকে তাকালে সহজেই বলা যায় একটা শহর, একটা সময়ের গল্প। সাহিত্য বিশ্লেষণ থেকে বলা যায় এ ছিল গল্প যুগের প্রথম কালের গল্প। বোকাসিওও তাই। একটা আখ্যান, কতগুলো চরিত্র আর তাদের নিয়ে ‘গল্প’।

দিন পরিবর্তনে এক সময় দেখা গেল সব গল্পই বলা হয়ে গেছে। এখন কেবল তার নতুন রূপ দেয়া যায়। কেউ সেটা করে ভাষার মারপ্যাঁচে, কেউ করে গল্পকে জটিল করে তুলে। কেউ গল্প থেকে আখ্যান প্রায় বাদই দিয়ে দেয়। গল্প হয়ে ওঠে তথাকথিত উত্তরাধুনিক। ছোটগল্পের সেরা সময়ে যে ফর্মটি ছিল—হঠাৎ শুরু, শেষে একটা টুইস্ট—তা আধুনিক গল্পকারদের কাছে যথেষ্ট অপছন্দনীয়। গল্পকে তারা জটিল করেন এবং সেখানে আখ্যান হয়ে ওঠে গৌণ। গল্প তাই বোঝা যায় না। পড়ার পর মনে হয় একটা বিমূর্ত ছবিই বোধ করি দেখলাম। বুঝলাম না কিছু।
অথচ গল্প হওয়ার কথা ছিল সহজ। বাচ্চু গল্প চেয়েছিল কেননা সে একটা কাহিনী জানতে চায়। কাহিনীর মধ্যে একটা দুনিয়া থাকে। আমাদের ‘দিদিমা’রা যে গল্প তৈরি করত। ছোটবেলায় যারা দিদিমার গল্প শুনেছেন তারা জানবেন সেই গল্পে শ্রোতা নিজেই বাসা বাঁধত। আমাদের ছোটবেলার পাঠ্যপুস্তকে থাকত ‘গল্প’। আমরা সেসব গল্পেও বাস করেছি। কেননা গল্প ছিল আমাদেরই। আমাদের চারপাশ থেকে আসত। এ কারণে মোপাসার ‘নেকলেস’ আমাদের অপরিচিত মনে হয় না। অ্যান্ডারসনের রূপকথা আর ঠাকুরমার ঝুলি একে অন্যের পরিপূরক মনে হয়।

কাহিনীর মধ্যে একটা দুনিয়া থাকে। আমাদের ‘দিদিমা’রা যে গল্প তৈরি করত। ছোটবেলায় যারা দিদিমার গল্প শুনেছেন তারা জানবেন সেই গল্পে শ্রোতা নিজেই বাসা বাঁধত

বাংলাদেশেও বহু সার্থক ছোটগল্পকার আছেন। শুধু সার্থক না, জনপ্রিয় এবং তাদের গল্পের সঙ্গে নিজেকে মেলানো যায়। শওকত ওসমান, হুমায়ূন আহমেদ, শওকত আলী, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম কেউই বাদ দেয়ার মতো না। কিন্তু তাদের কিংবা আমাদের গল্প বিভূতিভূষনের ‘তাল নবমীর’ মতো হয় না।
নিজের কথা দিয়েই শুরু হয়েছিল। অন্যদের মাথায় নিজের দায় চাপানো উচিতও না। মূলত জটিল কিংবা হালকা, দুই জাতের লেখা লিখতে গিয়ে গল্প মাথা থেকে হারিয়ে যায়। গল্পের ভাষা হারিয়ে যায়। মাঝে মাঝে মনে হয় আসলেও ডেস্কটপে কিংবা ট্যাবে গল্প লেখা যায় কিনা! কাগজ কলম নিয়ে বসলেই বোধ করি গল্প হয়ে উঠত। কিংবা গল্প বোধ করি আমারই জমে ওঠে না। তাই লিখতে পারি না, লেখা হয়ে ওঠে না।

এ কারণেই দ্যতিয়েন পড়তে গিয়ে বাচ্চুর প্রশ্নের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে পারি। মোগলনামার ভার কিংবা মহাভারতের ভরিক্কি ভাষার পাশে যদিও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে উপন্যাস লিখে ফেলতে পারি, গল্প বলতে পারিনা সেভাবে। কিন্তু বই হাতড়ে পড়তে গিয়েও তো বিপত্তি। সেখানে দেখা যায় সব ‘গল্পে’ই জ্যাঠামি।
বাচ্চু যেই গল্প চেয়েছিল বা আমাদের অনেক পাঠক যে গল্প চায় তা মূলত আখ্যানভিত্তিক। বাংলা বলি বা বিশ্বসাহিত্য, বহুল পঠিত বেশিরভাগ লেখাই আখ্যান ভিত্তিক—চাই সে আন্না কারেনিনা হোক, ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট হোক বা টেল অফ টু সিটিজ। সুনীলের, শীর্ষেন্দুর, মানিকের সব উপন্যাসেই একটা কাহিনী থাকে। একালে আমাদের বইমেলার বেস্টসেলার বেশিরভাগ উপন্যাসই আখ্যান ভিত্তিক। সেখানে কাহিনী থাকে, সাহিত্য থাকে কম। এ কারণেই কেউ একবার বলেছিল এখন যারা উপন্যাস লেখেন এরা আসলে কাহিনীকার, কথাসাহিত্যিক না।

সে যা-ই হোক, বলেছি, তাদের লেখায় একটা আখ্যান থাকে, কাহিনী থাকে কিন্তু গল্প আদতে থাকে না। কেননা গল্পের ভাবটা জমাটি। আমাদের দিদিমারা যে গল্প বলতেন তা সহজ, সেই গল্পের শুরু থাকত, উত্থান-পতন থাকত, এমনকি থাকত ক্লিফ হ্যাঙ্গার। সেই কারণে আমারা বুঁদ হয়ে থাকতাম গল্পে। আসলে গল্প অমনই হওয়ার কথা। কিন্তু হয় না। আমরা যারা লিখতে পারি না গল্প, তাদের কথা আলাদা। যারাও লেখেন তাদের গল্প কখনো খেলো হয়ে যায়, কখনো অকারণ জটিল। পড়তে গিয়ে অনেক সময় ‘এরপর কী হলো?’ জানার জন্য প্রাণ আনচান করে না। গল্পে মিষ্টি ভাব নেই, রস নেই। কাহিনী একটা আছে ঠিকই কিন্তু গল্প বলার ভঙ্গিটাই নেই। কেননা আসলেই হয়ত আমরা দিদিমার কাছে গল্প শুনিনি। শুনলেও দিদিমার গল্প মনে রাখিনি।

মন্তব্য লিখুন

Fill out this field
Fill out this field

সম্পর্কিত